বাসে জাবি ছাত্রীর ছবি তুলে পায়ে ধরেও পার পেলো না যুবক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের এক ছাত্রীর ছবি তুলে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন মো. আলী ওরফে রনি আহমেদ (২৫) নামে এক যুবক। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ইংরেজী বিভাগের ৪৫তম আবর্তনের ওই ছাত্রী বাসে চড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছিলেন। এ সময় রনি তার পাশে বসে ছিলেন। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী বুঝতে পারেন, তার ছবি তোলা হচ্ছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে রনির কাছে থেকে মোবাইল কেড়ে নেন, এবং দেখতে পান তার তিনটি ছবি তোলা হয়েছে।

প্রমাণ পাওয়ার পর ওই ছাত্রী তার সহপাঠিদের বিষয়টি মুঠোফোনের মাধ্যমে জানান। পরে বাসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এলে ছাত্রীর সহপাঠিরা বাস থেকে রনিকে নামিয়ে নেন। পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে নিয়ে যান তারা। সেখানে ওই ছাত্রীর ক্ষুব্ধ সহপাঠিরা রনিকে গণধোলাই দেয়। এ সময় রনি ওই ছাত্রীর পা ধরে মাফ চায়। পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিন ও নিরাপত্তা কর্মী দাউদ মোল্লার হাতে তুলে দেয় শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিভাগে আনার পর রনির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি সাভারের জিকা গার্মেন্টসে চাকরিরত আছেন।

তার বাবার নাম মোক্তার আহমেদ। ফরিদপুরের মধুখালী গ্রামের বাসিন্দা তারা। কিন্তু তার কাছে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে জানা যায়, তার নাম মো. আলী ও বাবার নাম মো. রফিক। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিনের জানান, আটক যুবকে পুলিশে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। সে মিথ্যা বলায় তাকে পুলিশে দেওয়া হবে। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর ছবি তোলে। পরে তাকে গণধোলাই দেয় শিক্ষার্থীরা।

পাঠকের মতামত