সিরিজ হামলার পর হুমকির মুখে পড়েছে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট

ভদুষ্কৃতিকারীর বন্দুকের নলের মুখে থমকে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট। এবার একই পরিস্থিতিতে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। ইস্টার সানডেতে গির্জা ও হোটেলে হামলার পর থমকে গেছে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট অঙ্গন। নিউজিল্যান্ডের মত অবশ্য শ্রীলঙ্কায় ক্রিকেট অতটা কাছ থেকে বিপদ দেখেনি। ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা আরেকটু হলে হামলার শিকার হতেন। শ্রীলঙ্কায় এক দাসুন শানাকা ও তার পরিবারের দুই সদস্য বাদে কেউই বিপদজনক পরিস্থিতিতে পড়েননি। তবুও শোকের এই ঘটনা শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটকে অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

একইসাথে একাধিক বর্বরোচিত হামলায় শ্রীলঙ্কা যখন কেঁপে উঠেছে, তখন তিনটি বিদেশি ক্রিকেট দল ছিল শ্রীলঙ্কা সফরে। ক্যানবেরার অনূর্ধ্ব-১৩, সিডনির অনূর্ধ্ব-১৫ ও পার্থের মেয়েদের ক্রিকেট দল শ্রীলঙ্কায় অবস্থান করছে এখনও। পুনরায় হামলার শঙ্কায় দলগুলোর ক্রিকেটাররা হোটেল ছেড়ে বের হচ্ছেন না। তবে হোটেলও কি আর শতভাগ নিরাপদ! ইস্টার সানডেতে হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল নামীদামী হোটেলও। তিনটি দলের ক্রিকেটাররা তাই দ্রুত শ্রীলঙ্কা ত্যাগ করতে চাইছেন।

এ বিষয়ে দাতব্য প্রতিষ্ঠান গুডনেসের প্রতিষ্ঠাতা কুশীল গুনাসেকেরা বলেন, ‘শ্রীলঙ্কায় খেলার জন্য বাইরের ৬০টি দলকে আমরা আমন্ত্রণ করেছিলাম, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের। এই মুহূর্তে শ্রীলঙ্কায় আছে অস্ট্রেলিয়ার তিনটি দল। নিরাপত্তাঝুঁকি থাকায় খেলোয়াড়েরা কোনোভাবেই বাইরে যাওয়ার কথা ভাবছে না এবং সন্ত্রাসী হামলার কারণে ওরা যত দ্রুত সম্ভব দেশ ত্যাগ করতে চায়।’

শুধু তা-ই নয়। মহৎ কাজের অংশ হতে বাকি যে দলগুলো শ্রীলঙ্কায় আসার কথা ছিল তারাও বাতিল করতে পারে সফর। তিনি বলেন, ‘২ মে আরও ৮টি দলের শ্রীলঙ্কায় পা রাখার কথা রয়েছে। কিন্তু সম্ভবত তারা পরিকল্পনা বাতিল করবে। এটা ট্যুরিজম এবং গুডনেস ফাউন্ডেশনের আরও অনেক সুযোগ-সুবিধায় প্রভাব ফেলবে।’

পাঠকের মতামত