রেফারিকে গালি দেয়ার কারনেই নিষিদ্ধ নেইমার

রেফারির উদ্দেশ্যে বাজে মন্তব্য করায় উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার দ্য সিলভা সান্তোস জুনিয়র। ২৬ এপ্রিল (শুক্রবার) উয়েফার অফিসিয়াল সাইটে নিষিদ্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ তিন মাসের চেয়েও বেশি সময় ধরে ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন প্যারিস সেন্ট-জার্মেইনের ফরোয়ার্ড নেইমার। দীর্ঘদিন পর দলে ফিরে যেখানে খুশিতে গদগদ হওয়ার কথা, সেখানে অস্বাদন করতে হলো নিষিদ্ধের মতো তিক্ত স্বাদের।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রথম লেগে ২-০ জয় পায় পিএসজি; কিন্তু দ্বিতীয় লেগে নিজেদের মাঠ পার্ক ডি প্রিন্সেসে ৩-১ গোলে হেরে, দুই লেগ মিলে ৩-৩ গোলে অ্যাওয়ে গোলের সুবিধা নিয়ে সেমিফাইনালে চলে যায় ম্যানইউ। এমন দৃশ্য দেখতে হলো নেইমারকে সাইড লাইনে বসেই। ম্যাচের সবকিছুই ছিল ঠিকঠাক; কিন্তু শেষদিকে ডি-বক্সে পিএসজি ডিফেন্ডার প্রেসনেল কিম্পেম্বের হাতে বল লাগলে রেফারি ভিএআরের সাহায্যে পিএসজির বিপক্ষে পেনাল্টি দেন। মার্কোস রাশফোর্ডের সফল ফ্রি কিকে ৩-১ গোল ব্যবধানে জয় পায় ম্যানইউ।

পিএসজির বিপক্ষে এই পেনাল্টি দেয়াতেই রেফারিকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন নেইমার। নেইমার ক্ষুদ্ধ হয়ে বলেন, ‘টু গো … ইউরসেলভস’। ডিফেন্ডারের হাতে লাগলেও স্লোভানিয়ার রেফারি দামির স্কোমিনা প্রথমে কর্ণার করার নির্দেশ দেন। তবে ঘটনাটি যাচাইয়ের সুযোগ পেয়ে রেফারি কর্ণার বাদ পরে দিয়ে পেনাল্টির রায় দেন। চোটের কারণে নেইমারের খেলা হয়নি শেষ ষোলোর কোন ম্যাচেই। খেলা শেষে নেইমার তার ইনস্টাগ্রামে লেখেন,‘পোনাল্টিটা দেয়া ঠিক হয়নি। পেনাল্টির স্ক্রিনশট দিয়ে লেখেন, এটি লজ্জার।’ গালাগাল করেন উয়েফাকে।

উল্লেখ্য, পিএসজির বিপক্ষে জিতলেও শেষ চারে ওঠার লড়াইয়ে বার্সেলোনার কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নেয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।রেফারিকে গালি দিয়ে নিষিদ্ধ নেইমার রেফারির উদ্দেশ্যে বাজে মন্তব্য করায় উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার দ্য সিলভা সান্তোস জুনিয়র। ২৬ এপ্রিল (শুক্রবার) উয়েফার অফিসিয়াল সাইটে নিষিদ্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘ তিন মাসের চেয়েও বেশি সময় ধরে ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন প্যারিস সেন্ট-জার্মেইনের ফরোয়ার্ড নেইমার। দীর্ঘদিন পর দলে ফিরে যেখানে খুশিতে গদগদ হওয়ার কথা, সেখানে অস্বাদন করতে হলো নিষিদ্ধের মতো তিক্ত স্বাদের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রথম লেগে ২-০ জয় পায় পিএসজি; কিন্তু দ্বিতীয় লেগে নিজেদের মাঠ পার্ক ডি প্রিন্সেসে ৩-১ গোলে হেরে, দুই লেগ মিলে ৩-৩ গোলে অ্যাওয়ে গোলের সুবিধা নিয়ে সেমিফাইনালে চলে যায় ম্যানইউ। এমন দৃশ্য দেখতে হলো নেইমারকে সাইড লাইনে বসেই।

ম্যাচের সবকিছুই ছিল ঠিকঠাক; কিন্তু শেষদিকে ডি-বক্সে পিএসজি ডিফেন্ডার প্রেসনেল কিম্পেম্বের হাতে বল লাগলে রেফারি ভিএআরের সাহায্যে পিএসজির বিপক্ষে পেনাল্টি দেন। মার্কোস রাশফোর্ডের সফল ফ্রি কিকে ৩-১ গোল ব্যবধানে জয় পায় ম্যানইউ। পিএসজির বিপক্ষে এই পেনাল্টি দেয়াতেই রেফারিকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন নেইমার। নেইমার ক্ষুদ্ধ হয়ে বলেন, ‘টু গো … ইউরসেলভস’। ডিফেন্ডারের হাতে লাগলেও স্লোভানিয়ার রেফারি দামির স্কোমিনা প্রথমে কর্ণার করার নির্দেশ দেন। তবে ঘটনাটি যাচাইয়ের সুযোগ পেয়ে রেফারি কর্ণার বাদ পরে দিয়ে পেনাল্টির রায় দেন।

চোটের কারণে নেইমারের খেলা হয়নি শেষ ষোলোর কোন ম্যাচেই। খেলা শেষে নেইমার তার ইনস্টাগ্রামে লেখেন,‘পোনাল্টিটা দেয়া ঠিক হয়নি। পেনাল্টির স্ক্রিনশট দিয়ে লেখেন, এটি লজ্জার।’ গালাগাল করেন উয়েফাকে। উল্লেখ্য, পিএসজির বিপক্ষে জিতলেও শেষ চারে ওঠার লড়াইয়ে বার্সেলোনার কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নেয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

পাঠকের মতামত