লাল পতাকা উড়িয়ে দুর্ঘটনা থেকে বাচল মগবাজার রেলগেট

যানজটের বেসামাল লাইনম্যান। আসছে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, এদিকে লাইনের ওপর তখনও বেশ কয়েকটি গাড়ি। এগুলোকে সরাতে না পারলে এক্ষুনি জয়ন্তিকা চূর্ণ বিচূর্ণ করে দেবে। উপায়ান্তর না দেখে গেটকিপার লাল পতাকা নিয়ে এসে থামালেন ট্রেন। রাজধানীর ব্যস্ত ক্রসিংএর মধ্যে অন্যতম ব্যস্ত মগবাজার রেল ক্রসিং। ব্যস্ত সড়কের ওপর দিয়ে ফ্লাইওভার হলেও যানজট কমেনি। বরঞ্চ হাতিরঝিল সংযোগ সড়ক থেকে গাড়ি এসে যানজটকে আরো পূর্ণতা দেয়। রেলগেট বন্ধ থাকলে মূল সড়কের পাশপাশি গাড়ির বহর হাতিরঝিল থেকে বের হবার পথের পুরোটাই অবরুদ্ধ করে রাখে। রেলগেট বন্ধ থাকা মানেই মগবাজার মোড় ও এফডিসি মোড় পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি।

মগবাজার মোড় থেকে যেমন এফডিসি মোড় হয়ে তেঁজগাঁও সড়কে যানজটে পূর্ণ। তেমনি হাতিরঝিল থেকে বের হয়ে মগবাজার পর্যন্ত রাস্তা জ্যামে পূর্ণ। যানজটের চাপে বেসামাল হয়ে পড়েছিলেন মগবাজার রেলগেটের লাইনম্যান। ঢাকা থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ডুয়েল গেজ ও মিশ্র গেজ থাকায় উভয় লাইনেই ট্রেন আসা যাওয়া করে। মগবাজার রেলগেটের ওই ঘটনার সময় জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস অতিক্রম করার পরপর কমলাপুর স্টেশন থেকে আরেকটি ট্রেন আসে। তবে তার আগেই লাইন থেকে সমস্ত গাড়ি সরানো হয়।

মগবাজার রেলগেটে দায়িত্বরত গেটকিপার বলেন, গাড়ি আসার সিগন্যাল আসার পরে গেট নামাতে যাওয়ার সময় প্রায়ই কিছু গাড়িয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মাঝে মধ্যে রাস্তা ভর্তি গাড়ি থাকলে রেলগেটের ভেতর ঢুকে পড়লেও বের হতে পারে না। এমন সময় ঘটতে বড় ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা।

পাঠকের মতামত