মুশফিক-সাকিবরা চাপে রেখেছেন পাকিস্তানকে

দুইটি তিনদিনের ম্যাচ ও তিনটি একদিনের ম্যাচ খেলতে পাকিস্তান অনুর্ধ্ব-১৬ দল এখন অবস্থান করছে বাংলাদেশে। স্বাগতিক যুবাদের বিপক্ষে প্রথম তিনদিনের ম্যাচের শুরুর দিনটি নিজেদের পক্ষে রাখতে পারেনি অতিথিরা। ব্যাটে-বলে আলো ছড়িয়েছেন বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৬ দলের খেলোয়াড়রা। বল হাতে মুশফিক হাসান এবং ব্যাট হাতে সাকিব শাহরিয়ারের নৈপুণ্যে প্রথম দিন শেষে চালকের আসনে রয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানি যুবাদের ১৪৮ রানে অলআউট করে প্রথম দিনে স্বাগতিক যুবাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১১৯ রান।

ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগার যুবাদের দলপতি রিহাদ খান। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে সময় নেননি মুশফিক হাসান, আশিকুর রহমানরা। একপর্যায়ে ১ উইকেটে ৫০ রান করে ফেলে পাকিস্তান। সেখান থেকে নিয়মিত বিরতিতে পাকিস্তানি শিবিরে আঘাত হানতে থাকেন টাইগার যুবারা। পাকিস্তানিদের পক্ষে মোহাম্মদ ওয়াকাস ৩৯ এবং উমর ইমানের ৩২ ব্যতীত আর কেউই বলার মতো রান করতে পারেননি। শেষপর্যন্ত ৫০.৪ ওভারে ১৪৮ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা।

বাংলাদেশের যুবাদের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ডানহাতি পেসার মুশফিক হাসান। ১৫ ওভারে মাত্র ৩৭ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া আশিকুর রহমান ও মাহফুজুর রহমান রাব্বি নেন ২টি করে উইকেট। পরে ব্যাট করতে নেমে শেষ বিকেলে ৩৭ ওভার খেলে ১১৯ রান করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কোনো বল না খেলে রানআউটের শিকার হন ওপেনার সাজ্জাদ হোসেন মিরাজ। দ্বিতীয় উইকেটে সামাল দেন মফিজুল ইসলাম রবিন এবং সাকিব শাহরিয়ার।

রবিন আউট হন ২৮ রান করে। নিজের ফিফটি থেকে মাত্র ৭ রান দূরে থাকতে ফেরেন সাকিব, ৪৫ বলে ৮ চারের মারে খেলেন ৪৩ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংস। এছাড়া সোহাগ আলি ৮ এবং আইচ মোল্লা আউট হয়েছেন ১৬ রান করে। দিন শেষে অধিনায়ক রিহাদ খান ১৮ এবং সহঅধিনায়ক মাহফুজুর রহমান রাব্বি ২ রানে অপরাজিত রয়েছেন। দ্বিতীয় দিন সকালে ২৯ রানে পিছিয়ে থেকে খেলতে নামেন এ দুজন।

পাঠকের মতামত