সবকিছু পুড়ে ছাই হলেও অক্ষত রইল পবিত্র কোরআন

মাঝে মাঝে অলৌকিক কিছু ঘটনা ঘটে যায়। এটা তেমনি একটি ঘটনা। ভোলার চরফ্যাসন পৌরশহরের জনতা রোডে উত্তর কর্ণারে সোমবার (২৮ জানুয়ারি) রাত ১২টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে চরফ্যাসন ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এতে প্রায় ২০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়, কিন্তু অক্ষত ছিল পবিত্র কোরআন শরীফ। এ অলৌকিক ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বেশ আলোচিত হয়েছে। অনেকে ছবিটিকে ফেসবুক পেজে শেয়ার এবং ছবি তুলে সংরক্ষণ করেছেন।

জানা যায়, চরফ্যাশন জনতা রোডের একটি গার্মেন্টসের দোকানের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। কিছুক্ষণের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানগুলোতে। এতে সদর রোডের পূর্ব পাশ হোটেল রাজ এরপর থেকে শুরু করে দক্ষিণে জনতা রোড পর্যন্ত ও জনতা রোডের পশ্চিম মাথা থেকে পূর্ব দিকে রূপালী ব্যাংক’র পর্যন্ত প্রায় ২০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে।

অগ্নিকাণ্ডে ফ্যাসন গার্মেন্টস, নিউ স্টার প্লাস, ফ্যাসন খেলাঘর, মঞ্জু ড্রাগ হাউজ, মাইশা ব্রিক্স অফিস, স্বপ্নিল গার্মেন্টস, ক্যামেলিয়া গার্মেন্টস, সাথি বস্ত্রালয়, ঝিনুক স্টুডিও, মডার্ন বুক হাউজ, মালিহা বুক ডিপো, প্যারাডাইস বুক কর্ণার, সরকার বুক ডিপো, রাকিব মটরস, সোহাগ স্টোর, সাজু ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোর, নিপা কসমেটিক্সসহ প্রায় ২০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুনের লেলিহান শিখা যখন উপরে উঠতে শুরু করে তখন কিছু বুঝে উঠার আগেই, পুড়ে যায় প্রায় ২০টি দোকান। কিন্তু আল্লাহর পবিত্র কোরআন শরীফের দোকানে আগুন লাগলেও অক্ষত থাকে কোরআন শরীফ। কোরআন শরিফের চারদিকে কিছুটা ক্ষতি হলেও পুরো কোরআন শরিফের অক্ষরগুলো অক্ষত থেকে যায়।

তারা আরও জানান, আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে পবিত্র এ গ্রন্থটি রক্ষা পেয়েছে। কোরআন শরীফটি একনজর দেখতে ভিড় করছে স্থানীয়রা।

পাঠকের মতামত