যেহেতু ওর দায় কেউ নিবেন না, তাহলে আমিই নিলাম : মাশরাফি

বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, “সাব্বির কিভাবে দলে সুযোগ পেলো। সেটা আমি জানি না! তবে নিউজিল্যান্ড সিরিজে বিতর্কে না জড়ায়, তাহলে ২০১৯ বিশ্বকাপ দলে অবশ্যই থাকবে!! আর সাব্বির যদি আবারো শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে তাহলে আজীবন নিষিদ্ধ হবে! আর প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানিয়েছেন, অধিনায়ক মাশরাফির তীব্র ইচ্ছাতেই সাব্বিরকে দলে নিয়েছেন তারা।

অপরদিকে মাশরাফি বিপিএল নিয়ে ব্যস্ত থাকায় সাব্বির ইস্যুতে তার অবস্থান জানা যাচ্ছিল না। অবশেষে জানা গেছে অধিনায়কের বক্তব্য। জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মাশরাফির কথায় ক্ষোভ মিশে ছিল। তিনি জানান, দল ঘোষণার পর সাব্বির ইস্যুতে প্রধান নির্বাচকের সঙ্গে তার কথা হয়নি। বিসিবি সভাপতির সঙ্গে এ বিষয়ে কখনোই কথা বলেননি তিনি।

প্রধান নির্বাচকের মন্তব্যের পর নিষিদ্ধ খেলোয়াড় সাব্বিরকে দলে নেয়ার দায় সম্পূর্ণ মাশরাফির ওপর পড়েছে। তবে মাশরাফি দায় এড়িয়ে যাওয়ার সহজ রাস্তা বেছে নেননি। বরং নিজের কাঁধে দায় নিয়েও যেনো একটু খোঁচা দিয়ে রাখলেন।

‘নিষেধাজ্ঞা কমানো-বাড়ানোর সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বোর্ডের। ওখানে আমার কিছু করার নেই। আর দায়ের কথা বলছেন? দায় এড়ানো তো পৃথিবীর সবচেয়ে সহজতম কাজ। এটি ঠিক কি না, ভেবে দেখা দরকার। এখন সাব্বিরকে দলে নেওয়ার ক্ষেত্রে দায় যখন আমার ওপর এসেছে, আমি দায় নিলাম। বাংলাদেশ ক্রিকেট আমার পারিবারিক দল না।

আর সাব্বির আমার পারিবারিক মানুষও না; বরং রাজ ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তবে আমার কাছে মনে হয়, সাব্বিরের এই ঘটনায় কারো না কারো দায় নেওয়া উচিত। বাংলাদেশ ক্রিকেট এখন যে জায়গায় গিয়েছে, তাতে এত দায়িত্বহীন হলে হবে না। যেহেতু আমার কথা বলেছেন প্রধান নির্বাচক, আমি দায় নিতে রাজি।’

মানে নির্বাচক না হয়েও সাব্বিরকে নির্বাচন করেছেন? প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন, ‘অবশ্যই। যেহেতু আমার কথা এসেছে, দায় আমি নিচ্ছি। সমস্যা নেই। বাংলাদেশের ক্রিকেট এত বড় জায়গা, সেখানে কেউ দায় নেবেন না কেন? আমি নিলাম।’

পাঠকের মতামত