বিশ্বের ৭ মুসলিম শক্তিশালী সামরিক দেশ

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের বেশকিছু মুসলিম দেশ সামরিক শক্তিতে অগ্রগতি অর্জন করেছে। যাদের মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, মিসর, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া ও পাকিস্তান। খবর এনডিটিভি।

এনডিটিভি বলছে, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে এ ৭টি দেশ অন্য সব দেশের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে আছে।

তুরস্ক : সামরিক শক্তির দিক থেকে তুরস্ক বর্তমানে বিশ্বের অষ্টম অবস্থানে রয়েছে। আর মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে দেশটি অবস্থান আছে সবার উপরে। বর্তমানে দেশটির সামরিক শক্তির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, নিজেদের যুদ্ধবিমান, জঙ্গিবিমান, সাঁজোয়া যান, কামান, হালকা ট্যাঙ্ক, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রসহ ইত্যাদি।

ইরান : দীর্ঘ তিন দশক যাবত ইরানের ওপর পশ্চিমা অবরোধ ও একই সঙ্গে ইরাক যুদ্ধ দেশটিকে সামরিক ক্ষেত্রে নিজেদের স্বাবলম্বী করে তুলতে সাহায্য করেছে।

বর্তমানে দেশটির হাতে রয়েছে অত্যাধুনিক ট্যাংক, ভারী সাঁজোয়া যান, যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, হেলিকপ্টার গানশিপ, বিভিন্ন মডেলের সাবমেরিন, অসংখ্য গানবোর্ট, গোয়েন্দা উপকরণসহ যুদ্ধাস্ত্র নির্মাণের নানান প্রযুক্তি।

পাকিস্তান : মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর তালিকায় পারমাণবিক অস্ত্র সমৃদ্ধ দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান হচ্ছে একমাত্র দেশ। বর্তমানে ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতেও দেশটি অগ্রগামী। পাকিস্তানের হাতে আছে যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন ও অত্যাধুনিক সব যুদ্ধবিমান।

মিসর : সামরিক বাহিনীর শক্তিমত্তার দিক থেকে বর্তমানে মিসর অন্যদের চেয়ে বেশ এগিয়ে। তবে দেশটির এখনকার প্রতিরক্ষা খাত পশ্চিমা অস্ত্রশস্ত্রের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। সম্প্রতি মিসরের প্রতিরক্ষা শিল্প নানা মডেলের ট্যাংকসহ মাঝারি আকারের বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র নির্মাণ করে থাকে।

সৌদি আরব : অস্ত্র আমদানিতে বিশ্বের সর্বোচ্চ অর্থ ব্যয়কারী দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে সৌদি আরব। দেশটিতে বর্তমানে এমন কিছু অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র রয়েছে যেগুলো কখনো মার্কিন সেনাবাহিনীতেও প্রচলন হয়নি।

ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া : এশিয়ার অন্যতম শান্তিপূর্ণ দেশ হচ্ছে এই ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া। সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর দিক থেকেও এই দেশ দু’টি যথেষ্ট শক্তিশালী। তারা বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের হালকা অস্ত্রশস্ত্র ও নৌযান তৈরি করে থাকে।

তবে ভারী অস্ত্রশস্ত্রের মধ্যে তারা বিশেষ করে যুদ্ধ বিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধজাহাজ বাইরের দেশ থেকে আমদানি করে থাকে। এককথায় সামরিক বিচারে উভয় দেশকেই মাঝারি শক্তির দেশ হিসেবে ধরা যায়।

পাঠকের মতামত